back to top
Friday, May 1, 2026
Homeসাহিত্যগল্পএকটি শেওড়া গাছ এবং ভুতের গল্প

একটি শেওড়া গাছ এবং ভুতের গল্প

আইনুন নাঈমা

অনেক দিন আগের কথা। গ্রামে তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। স্কুল থেকে ফিরে কোনো রকমে কয়েকটা দানা পানি গিলে ব্যাট নিয়ে ছুটতাম খেলার মাঠে। ফিরতাম সন্ধের আগে আগে। তখন সন্ধ্যা বেলা নিয়ম করে ছোট আপু হারিকেনের চিমনি পরিষ্কার করে তেল ভরে হারিকেন জ্বালিয়ে দিতো বাড়ান্দায়। বড় আপু মা’র সাথে রান্নার তদারকি শেষে আমাকে আর আমার ছোট ভাই সুবলকে হাত পা ধুয়ে বাড়ান্দার পাটিতে বসিয়ে পড়ান।বড় আপু আর ছোট আপু ও গুনগুনিয়ে পড়তে থাকে।আমরা দু ভাই মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে যতটা উচ্চস্বরে সম্ভব পড়তে থাকি। সুবল পরে অ তে অজগর ,আ তে আম ,ক তে কলা। আর আমি চোখ বন্ধ করে পাঁচ এর ঘরের নামতা মুখস্ত করতে থাকি অথবা অংক কষতে গিয়ে হাত ও পায়ের সমস্ত আঙ্গুল গুনতে গুনতে ক্ষান্ত হই। আমাদের জেগে থাকার সর্বোচ্চ পরিধি ছিল এশার আজান হওয়া পর্যন্ত। মা বলতো -তোরা আরেকটু পড়ে নে। আমি নামাজটা সেরে খাবার বেড়ে দিচ্ছি। এই বলে তিনি জলচৌকির উপর জায়নামাজে দাঁড়ান। আর আমরা চার ভাই বোন তার আঁচল ধরে ঝুলতে থাকি সালাম ফেরাবার অপেক্ষায়। কতকদিন সালাম ফিরিয়ে দেখতে পান আমরা দুই ভাই ঘুমে অচেতন। সেই ঘুম কাতুরে আমিই কিনা জেগে আছি রাত দশটা অবধি ছোট মামা আসার আনন্দে। শোবার ঘরে হ্যাজাক জ্বলছে। সুবল ঘুমুচ্ছে। বাবা সহ বাকি সবাই তিন তিন বার মেট্রিক ফেল মামার দেশ ভ্রমণের রোমাঞ্চকর কাহিনী শুনছি। মামা গল্পের আসর জমাতে উস্তাদ। সামান্য ঘটনাকে রসিয়ে ফেনিয়ে শ্রুতি মধুর করতে তার তুলনা নাই। কিছুক্ষণ গল্প করার পর সুবলকে ডাকতে থাকেন।
মা বাধা দিলেন -আরে দিলু … ওকে জাগাস নে। কাঁচা ঘুম ভেঙে গেলে মাথায় সমস্যা হবে। জাগাসনে ওকে।
মামা কোনো কথাতেই কান দিলেন না। সুবলকে জাগালেন। সে ঘুম থেকে জেগে চোখ কচলায়। বোকার মতো এদিক সেদিক তাকাতে থাকে। মামা সুবলের সামনে তার পাঁচটি আঙ্গুল মেলে ধরে বললো -দেখতো এখানে কয়টা আঙ্গুল?
-পাঁচটা
-আর এখানে ?
-এখানে নয়টা
-দেখছিস বুবু ,তোর ছেলে এখনো পাগল হয়নি।
সবার অট্টহাসিতে ঘর কেঁপে উঠলো

টানা তৃতীয় বার ফেল করে গ্রাম ছেড়ে পালানোর ছ মাস পর দিলু মির্জা আবার গ্রামে ফেরত এসেছেন এবং এই মুহূর্তে তিনি বোনের শ্বশুরালয়ে অবস্থান করছেন -এই রকম একটি বার্তা লোক মুখে নানার কানে গেল।তিনি এই অন্ধকার রাতে এক হাতে সাপ তাড়ানোর লাঠি অন্য হাতে হারিকেন সমেত শোবার ঘরের বাড়ান্দায় এসে দাঁড়ালেন। কিন্তু ঘরে ঢুকলেন নাহ। উচ্চ স্বরে বকতে থাকেন। তার কান অব্দি এই সংবাদ পৌঁছেছে যে তার ছোট সুপুত্র বর্ডার টপকে কামরূপ কামাখ্যায় গিয়ে জাদু মন্ত্র শিখে এসেছেন। এবং হাটের বট তলায় নানা রকম জাদুর কৌশল দেখিয়ে নগদ অর্থ এবং নগদ সুনাম দুটোই অর্জন করেছেন।বাজারের ইজারাদারের ছেলে ভেলকি দেখিয়ে বেড়ান -এই লজ্জায় নানার মাথা কাটা গেছে বলেই নানার এতো আক্রোশ
-এই বলে রাখলাম ,আমার ঘরে তোর ঠাঁই নাই। আমার বাড়ির ত্রিসীমায় যেন তোর ছায়া না পড়ে। তোর মতো কু……….
আর তেমন কিছু বোঝা গেলোনা। তিনি বকতে বকতে সেদিনের মতো বাড়িতে চলে গেলেন।
পর দিন সকালে এক পাল ছেলে মেয়ে জুটলো মামার পেছন পেছন জাদু দেখার আশায়। আমরা দুই ভাই স্বগর্বে তার দুই পাশে সেটা রইলাম মুনকার নাকিরের মতো। বাড়ির পাশের রাস্তাটি তখনো পাকা হয়নি। অনেক পিচ্ছিল। পথ চলতে হয় সাবধানে;নইলে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। সেই কুখ্যাত রাস্তাতেই কিনা কামরূপকামাখ্যার জাদু বিদ্যার অধিকারী আমার সন্মানীয় মামা পা পিছলে গড়িয়ে গেলেন। কিন্তু পড়লেন না। কোনো রকমে ঝুঁকি সামলিয়ে কাপড় বাঁচালেন। দুষটু শিশুর দল হা হা করে হেসে উঠলো। মামার কর্কশ থমকে সবাই চুপ -থাম।তোরা ভেবেছিস আমি পড়ে গেছি !মোটেও না। আমি রাস্তা আগাইলাম। এটাকে বলে পিছলং আগালং টেকনিক।
পেছনে কান্নার শব্দে সবাই ফিরে তাকালাম ;দেখলাম ,সুবল পিছলং আগালং টেকনিক খাটাতে গিয়ে প্রথম রাউন্ডেই ফেল মেরেছে। হাঁটুতে চোট লেগেছে। সবুজ রঙের পেনটার তলা খোয়া গেছে। মা এসে যার যার বাড়িতে ফিরবার হুকুম করে সুবলকে নিয়ে গেল। তখনকার মতো ছত্র
ভঙ্গ হয়ে যে যার মতো চলে গেল l

আমাদের বাড়ির কাছেই বটতলার হাট। এখানে সপ্তাহে দু দিন বাজার বসে। আর বাকি পাঁচদিন সবত্রই খোলা পড়ে থাকে। এমনি একদিন হাটবার শুন্য দিনে বট তলার নিচে একপাল ছেলে পেলে সমেত মামা আলোচনার আসর বসিয়েছেন। মামা বললো -তোরা কেউ কোনোদিন ভূত দেখেছিস ?
কেউ বললো দেখেছে,কেউ বললো দেখেনি;তবে নানা দাদাদের কাছে ভূত দেখার অভিজ্ঞতা শুনেছে। আবার কয়েকজন – ভূত বলতে কিছু নেই -দৃঢ় চিত্তে বলে দিলো।
মামা বললো -তোরা যদি চাস,আমি ভূত নামাতে পারি এবং এও প্রমান করে দিতে পারি যে ভূত বলতে কিছু একটা আছে।
-সত্যি বলছো মামা। তুমি ভুত নামবে !
-কিন্তু
-কিন্তু কী মামা ?
-আসলে আজ পূর্ণিমা কিনা ?তাই ভুত নামাতে পারছিনা। আজ ভুত সম্প্রদায়ের ফল আহারের রাত। তবে তোরা যদি চাস -তোরাও ফল আহারের নিমন্ত্রিত অতিথি হতে পারিস।
আমরা সউৎসাহে হৈ হল্লা শুরু করে দিলাম। মামা আমাদের থামিয়ে বললো
-তবে একটা জনবিরল জায়গা লাগবে। যেখানে অনেক দিন রান্নার ঘ্রাণ ঢুকেনি। এক কোথায় বলতে গেলে যেখানে দীর্ঘদিন আগুন জ্বলেনি। তোরা পারবি সেটা বের করতে ?
আমরা যে যার মতো গালে হাত দিয়ে ভাবলাম। কিন্তু বের করতে পারলাম না। শেষ পর্যন্ত মামাই স্থান নির্বাচনে সমর্থ হলো -আচ্ছা রাজবাড়ীর ভাঙা নাট মন্দির টা এখনো অক্ষত আছে তাইনা ?
আমরা এক বাক্যে তা স্বীকার করলাম।
-তাহলে তোরা রাত দশটায় সেখানে হাজির থাকিস আমার অপেক্ষায়। এখন আমি আসি।

রাত প্রায় দশটা বাজে।রাজ্ বাড়ির চার পাশ জোড়ে নানান প্রজাতির বৃক্ষ কয়েক শতাব্দী থেকে ডাল পালা মেলে অতন্দ্র প্রহরীর মতো জেগে আছে। অজস্র গাছ পালা থাকতে এখানকার মাটিতে চাঁদের আলো পৌঁছেনা। তাই এখানে অন্ধকারটা বেশ গাঢ়।সুবল কে ভুলিয়ে ভালিয়ে বাড়িতে রেখে এসেছি। আমরা ছ সাতেক কৈশোর লগ্ন নির্ভিক সৈন্যের দল ফল আহারের সেই মাহেন্দ্র ক্ষণের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি। দূরে শেয়াল ডাকছে। বুকের মধ্যে ঢিপ ঢিপ শব্দ হচ্ছে। কিন্তু মামা আসার লক্ষণ নাই। এই অন্ধকার ঘরে যদি সত্যি সত্যি ভুতের আগমন ঘটে ?ভয়ে আমরা একে অন্যকে জাপ্টে ধরে বসে রইলাম। দিনের বেলা অজস্র বাঁদুড় এইসব প্রাচীন কালের সাক্ষী ঘরে মাথা নিচের দিকে দিয়ে পা উপরে আটকে ধরে উল্টো হয়ে ঘুমায়। আর রাতে বেলা ফল খেতে বের হয়ে যায়। ফিরে আসে ভোর হওয়ার আগে আগে। দূরে পায়ের তলায় শুকনো পাতা গুঁড়ো হওয়ার মতো শব্দ হচ্ছে। আমরা ভয়ে দাঁতে দাঁতে কামড় দিয়ে একে অন্যকে শক্ত করে জাপ্টে ধরে বসে রইলাম। সময় যত যেতে লাগলো শব্দটা ততই নিকটবর্তী হলো।
-তোরা এসেছিস ?
সবার যেন ধড়ে প্রাণ এলো। অবশেষে মামা এসেছে। তুহিন অভিযোগ করে বললো -মামা এতো দেরি করলে। আরেকটু হলে তো আমরা ভুতের পেতেই চলে যেতাম।
-আরে ধ্যাৎ। এখানে ভুত পেলি কোথায় ?আমি যতক্ষণ না ডাকছি ততক্ষন তারা আসবেনা। আচ্ছা শুরু করছি ,তবে শোন্ ,আমি যতক্ষণ মন্ত্র পাঠ করবো ঠিক ততক্ষন তোরা চোখ বন্ধ করে থাকবি। যখন খোলতে বলবো তখন খুলবি। এর বাইরে চালাকি করতে গেলে তোদের বড্ডো ক্ষতি হবে। এর দায় কিন্তু আমি নিতে পারবোনা -বলে দিলাম।
সকলে চোখ না খোলার আশ্বাস দেয়াতে মামা মন্ত্র পাঠ শুরু করলো। অষ্পষ্ট ভাবে ,সবটা বোঝা যায়না। মিনিট পাঁচেক মন্ত্র পাঠ করার পর মনে হচ্ছিলো রাজ্ বাড়ির চারপাশে ,ছাদে,কারা যেন বিরাটকায় পা দিয়ে ছোটাছুটি করছে। আমাদের শরীলে কাঁপুনি ধড়ে গেলো ভয়ে। যারা ভূতে বিশ্বাস করতোনা তাদের ও কাপড় নষ্ট হওয়ার জোগাড়। তার পর শুরু হলো ফল বৃষ্টি। ভাঙা জানালা ,দরোজাসহ যত ফাক ফোকর আছে সব গুলো দিয়ে ফল দিয়ে ঢিলাঢিলি শুরু হয়ে গেলো। কারো মাথায় পড়ছে ,কারো বা শরীলে। কারো পায়ে। এক মিনিট পর ফল বৃষ্টি থামলো।
-এবার চোখ খোল তোরা। ফল গুলো কুঁড়িয়ে নিয়ে খাঁ।তোদের বিশ্বাস হলো তো !
-হুম মামা। যা দেখলে টা ভুলবার নয়। জব্বর। অনেকদিন মনে থাকবে। ইতিহাস হয়ে থাকবে এই রাতটির কথা।

ফল বৃষ্টির দিন পনেরো পরে এক দিন বিকেল বেলা মামা আমাদের ডেকে বললো আজ অমাবস্যা। আজ কি হবে সবার মনে আছে তো ?সবাই এক যোগে বললাম জি মামা মনে আছে। তিনি বললেন সাপুড়ে যেমন যেখানে সাপ আছে সেখানে বীণ বাজালে সাপ বের আসে এবং সাপটাকে ধরা যায় ,ঠিক তেমনি যেখানটাতে ভূত আছে শুধু সেখানেই মন্ত্র পাঠ দ্বারা ভূত বন্দি করা সম্ভব। এখন বল তোরা ,কোথায় ভূত আছে ?
তুবির বললো -আমার নানা বাড়িতে ভূত আছে। ভূতটার নাম ঠকঠকানি ভূত। কিন্তু নানা বাড়ি তো তেঁতুলিয়া।
-বাদ। বাদ । বাদ। কাছেই কোথাও ভূত দেখা দিয়ে থাকলে সেটা বল।
আমি বললাম -মামা তোমাদের ঘরের পিছনে শেওড়া গাছটাতে ভূত আছে। নানী স্বচক্ষে ভূত দেখেছে। মইস্যা আন্ধার রাতে শেওড়া গাছ থেকে নেমে নাকি নাচতো গাইতো। পুকুর থেকে মাছ ধরে খেতো।
-ওহ ,ওই শেওড়া গাছটার কথা বলছিস। হুম। ঐটাতে ভূত আছে। আমি ও দেখেছিলাম ছোট বেলা। যখন শেষরাতে পেটে মোচড় দিতো। আচ্ছা সেই কথাই রইলো। তোরা রাত তিন টাই আমাদের বাড়ির পিছনে শেওড়া গাছের নিচে আসিস। আমি তোদের অপেক্ষায় থাকবো।

লিখুন প্রতিধ্বনিতেলিখুন প্রতিধ্বনিতে

আকাশে কোনো আলো নাই। চোখের সামনে ঘুট ঘুটে আন্ধার। মামা কে ঘিরে আমরা চার জন বসে আছি শেওড়া গাছের তলাতে।তুহিন আজ আমাদের ঘরেই ছিল। তুবির আর নাহিদ ওরা দু ভাই এসেছে জানালা টপকে। বাকি তিন জন আসতে পারেনি আজ।চার দিক নিস্তব্ধ। কারো কোনো সারা শব্দ নাই। শুধু আমাদের পাঁচ জনের নিশ্বাস চাপা কান্নার মতো শুনাচ্ছে। মামা ফিসফিসিয়ে হাতে একটা প্লাস্টিকের বাটি দেখিয়ে বললো যখন মন্ত্র পরে ফু দিবো তখন এই বাটিতে ভূত আটকা পড়বে। তখন বাটিটা আপনা হতেই ছুটাছুটি করবে। নাহিদ ,তোর হাতের বাটন ফোনের টর্চ টা জ্বালিয়ে রাখ ,না হলে অন্ধকারে দেখা যাবেনা।
এই বলে তিনি মন্ত্র পড়তে আরম্ভ করলো। তার মন্ত্র পড়ার ধরন আর শেষ রাতের ঠান্ডা কুয়াশাতে আমাদের শরীর কাঁপতে লাগলো থর থর করে। যখন বাটিটা মাটিতে পেতে ফু দিলো অমনি তা ছুঁটাছুটি করতে শুরু করে দিলো। আমরা ভয়ে থর থর করে কাঁপছি। এ কি দেখছি। বাটিটা তো সত্যিই দৌড়াচ্ছে। আমার পালোয়ান মামা পর্যন্ত সেটাকে ঠেকাতে পারছেন না। স্বচক্ষে এই দৃশ্য দেখার পরে আমাদের মামার প্রতি ভক্তি আর শ্রদ্ধা দুটোই বেড়ে গেলো। কিন্তু কোথা থেকে নানা এসে হাজির। আমরা এতটাই মুগ্ধ হয়ে গেছি যে সেদিকে কারোর নজরই ছিলোনা। তিনি এসে বাটিটা উপর করে দিয়ে ভূত সমন্ধে আমাদের বিশ্বাসের সত্য মিথ্যার চরম মীমাংসা করে দিলেন। নানা বাটিটা যেইনা উল্টালেন দুই জোড়া ইঁদুর মুহূর্তেই দৌড় দিয়ে পালিয়ে গেলো। আর মামাও ছোটে পালালো অজানা উদ্দেশ্যে।

প্রতিধ্বনি
প্রতিধ্বনিhttps://protiddhonii.com
প্রতিধ্বনি একটি অনলাইন ম্যাগাজিন। শিল্প,সাহিত্য,রাজনীতি,অর্থনীতি,ইতিহাস ঐতিহ্য সহ নানা বিষয়ে বিভিন্ন প্রজন্ম কী ভাবছে তা এখানে প্রকাশ করা হয়। নবীন প্রবীণ লেখকদের কাছে প্রতিধ্বনি একটি দারুণ প্ল্যাটফর্ম রুপে আবির্ভূত হয়েছে। সব বয়সী লেখক ও পাঠকদের জন্য নানা ভাবে প্রতিধ্বনি প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। অনেক প্রতিভাবান লেখক আড়ালেই থেকে যায় তাদের লেখা প্রকাশের প্ল্যাটফর্মের অভাবে। আমরা সেই সব প্রতিভাবান লেখকদের লেখা সবার সামনে তুলে ধরতে চাই। আমরা চাই ন্যায়সঙ্গত প্রতিটি বিষয় দ্বিধাহীনচিত্ত্বে তুলে ধরতে। আপনিও যদি একজন সাহসী কলম সৈনিক হয়ে থাকেন তবে আপনাকে স্বাগতম। প্রতিধ্বনিতে যুক্ত হয়ে আওয়াজ তুলুন।
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments