5.9 C
New York
Saturday, March 2, 2024
spot_img
Homeগল্পগল্পের প্রতিধ্বনি

গল্পের প্রতিধ্বনি

আড়াইশো টাকা 

পুরো মার্কেট চষে বেড়ালাম। মনের মত একটা লুঙ্গিও খুঁজে পেলাম না।

ভালোবাসার উষ্ণতা

রান্নার সরঞ্জাম গোছাতে হবে, ছেলেকে খাওয়াতে হবে,বিকেলের নাস্তা, ঘর বাড়ি পরিষ্কার করা, এক গাদা কাপড় ধুয়ে শুকোতে দিয়ে এসেছে সেগুলো গোছানো, রাতের রান্না,

স্বপ্নের অসুখ

এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চলে আরও চার- পাঁচদিন। প্রতিদিনই মেয়েটি সবার আগে এসে টিকিট কেটে বসে থাকে। কিন্তু ডাক্তারের সাথে দেখা করে না।

জীবন যুদ্ধ

পুলিশের খাকি পরিহিত পাঁচজন লোক হুড়মুড় করে ঢুকে পড়লো ঘরে

দখলদার

মর্গের নাইট গার্ডের চাকরি করে এত টাকা মজনু পান কোথায়

প্রতীক্ষার অবসান

ডাক্তার বলেছেন ইমারজেন্সি রক্ত লাগবে।যে কোনো মূল্যেই হোক তোকে রক্ত ম্যানেজ করতে হবে।

শহরি বাবু

একটা কথা বলতে ভুলে গেছি, আমি আমার শখের চায়ের দোকান বিক্রি করে দেইনি। প্রতিদিনের মতো চায়ের দোকানে চা বানাই।

প্রবাসী 

লোকটা হঠাৎ ভীষণ রকম ক্ষেপে গিয়ে বলতে শুরু করল, মানে বুঝলেন না! এটা কি রকম করে সোনার বাংলা হলো? আমি কিঞ্চিত ভয় পেয়ে গেলাম।

লাল জ্যাকেট ও বাবার মুখ

নূরজাহান নীরা সমবয়সী সহকর্মীদের ডাকতে ডাকতে নিজেই অনেকটা খড়কুটো একত্রিত করেছে সুরুজ।আশপাশে পড়ে থাকা কাগজ,কাপড়, পলিথিন সব এক জায়গায় এনে তাতে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।সারাদিন গোসলের...

স্বপ্ন

সবই তো রবের পক্ষ থেকে তিনিই আবার সব ঠিক করে দিবেন ইন শা আল্লাহ

ক্ষুধাতুর শিশু

সকল কিছুর মাঝে অকস্মাৎ আমি দেখতে পেলাম রাস্তার ও ধারের জামে মসজিদটার একটুখানি পাশে এক মহিলা প্রায় চিৎকার করে কি যেন বলে এক ছোট মেয়েকে মারছে।

জন্মদিন 

প্রতিবারের মতো এবারও প্রিয়ার মা প্রিয়ার পছন্দের খাবার রান্না করলেন।প্রতিবছরই এ দিনটিতে মুষলধারে বৃষ্টি হয়,

শাস্তি

তারপর আগুনের কাঁচি দিয়ে তার জিহ্বাটি কাটতে লাগল তারা। তার মাথা হাতুড়ি দিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে লাগল। নতুন নতুন শাস্তি তার সামনে হাজির করা হলো। কী আশ্চর্য! তার শরীর চূর্ণ-বিচূর্ণ হবার পরেও আবার নতুন রূপে ফিরে আসছে।

ছেলের কাফনের কাপড়

দেখতে দেখতে বিশটা বছর কেটে গেল। চোখে জুড়ে বসল মোটা ফ্রেমের চশমা। ময়লা শাড়িতে ঢাকা শরীর। সুন্দর চেহারায় ভাঁজ পরেছে কালো রেখা। লাঠিতে ভর দিয়ে সঙ্গীহীন চলাফেরা। সেই পাওনাদারদের আর খোঁজ নেই।

দুই পৃথিবী

সবার মনে এক অজানা দস্যুর উপস্থিতি। মেহেদীর ক্যান্সার ধরা পড়েছে এক মাস হলো। ডাক্তার বলেছে আর মাত্র ছয় মাস সে বাঁচবে। তখন ডাক্তার আগের রিপোর্ট টা দেখে, মেহেদীকে ঠিক দুবার টেস্ট করলো।

মাহিমের মা

মাহিমের মা অসুস্থ শরীরে খুশি হয়। মুচকি হাসি হেসে দেয়। মাহিমের মা ভাবে মাহিমের মা হারানো ভয় নেই।

চৈত্রের নিস্ফল রজনি

আঁধারের জালে এলোমেলো পা ফেলতে থাকে ময়েজ। চতুর্দশির চাঁদ অনেকটা পশ্চিমে সরে গেছে। ডিব্বা থেকে দোক্তা বের করে মুখে দেয় সে। এতক্ষণে বাড়ি পৌঁছার কথা। পথ কী ভুল হয়েছে। চিন্তার বিষয়। এটা কোন রাস্তা। সামনে বালু আর বালু। বাড়িঘর নজরে পড়ে না। ভুলে ধরল নাতো!

ছি…!

নান্টু কিছু সময়ের জন্য মার কোমল পরশ অনুভব করলো। নান্টু অনেকদিন পর মার আদর পেলো। সেই আদর অনুভব করা দীর্ঘস্থাায়ী হল না।

মুগ্ধতা 

নতুন এক জীবন। যার দেহ জুড়ে শুধু রহস্য। তার মাঝ দিয়ে বয়ে যাবে আরেক জীবন।

ভূত আবিষ্কার 

রতন বয়সে ছোট হলেও ভীষণ সাহসী আর দস্যিপনায় ইঁচড়ে পাকা। ছোটবেলা থেকে এ পর্যন্ত ভূতের অনেক গল্প শুনেছে রতন, রতনের মাসতুতো ভাই রাহুল ভূতের ভয়ে রাতে প্রসাব করতেও বাইরে বের হয় না একা একা

একফোঁটা অশ্রু

হঠাৎ প্রচন্ড বৃষ্টি পড়তে আরম্ভ করে।জহির বৃষ্টি একদমই সহ্য  করতে পারে না। তাই বাড়ির দিকে পা বাড়ায়। বাড়িতে ঢুকতেই সে দেখে তার মা তার জন্য বারান্দায় বসে অপেক্ষা করছে।

একটু ছুঁয়ে দেয়া

খুব ভোরে বেশ কয়েক বার রিং বাজলেও ফোন কেঁটে দিয়েছি। অবশ্য ঘন্টা খানেক পর কিছুটা বিরক্তিকর মনে হলেও আধোঘুমের আলসেমি কাটিয়ে ঝাপসা ছোখে মোবাইলটা এক ঝলক দেখার চেষ্টা করতেই হঠাৎ কোলের উপরে জ্যান্ত সাপ দেখার মতো বিছানা ছেড়ে লাফিয়ে উঠলাম।

একটি গল্পলিখার গল্প

পরদিন সন্ধ্যায় রাফি বিপুল উদ্যম নিয়ে লিখতে বসল।সে লিখবে প্রেমের গল্প।প্রেমের গল্প মানেই হিট।দুইটা ছেলেমেয়ে ধরে প্রেম করিয়ে দিলেই পাবলিক খুশি।এইরকম চিন্তাধারা নিয়ে রাফি লেখা শুরু করল।

পিঠার গল্প রেস্তোরাঁ

মেহেরিন জানালা দিয়ে তাকিয়ে বাহিরের দৃশ্য দেখছে। বেপরোয়াভাবে আসা একটি ট্রাকের সাথে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। মেহেরিনের মা-বাবা অল্প আহত হয়, হাত পা ছিলে যায়। তবে মেহেরিন মারাত্মকভাবে আহত হয়।

চুরি

সিধু আস্তে আস্তে বইটা দাদুর দিকে এগিয়ে দিলো।বইটা হাতে নিয়ে তিনি অনুসন্ধিনসু দৃষ্টিতে বইয়ের দিকে তাকাতেই, উঠান থেকে কে যেন 'সিদ্দিক সিদ্দিক' বলে ডেকে উঠলো। তিনি বইটা রেখে বললেন কে?

বিয়োগান্ত

আমি এবার সুযোগ পেয়ে বসলাম যেন। বললাম, যত লম্বা কাহিনিই হোক, শেষ হওয়া অবধি উঠছি না আজ। লোকটি ঈষৎ মুচকি হেসে বলে চললেন,

বিলীন হওয়া একটি জীবনের গল্প

তার উত্তর শুনে আমি হঠাৎ চমকে উঠলাম! কেমন যেন আসমান ভেঙে আমার মাথায় এসে পড়লো! তার চেহারার অবয়ব দেখে কিছুটা চিনতে পেরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলাম

আধ খাওয়া লাশ

অ্যাম্বুলেন্স ছুটে চলেছে মানিকগঞ্জ মহাসড়ক দিয়ে। পাটুয়ারী ফেরিঘাট যাওয়ার পর বেশ কিছু সময় ফেরির জন্য অপেক্ষা করতে হলো। ফেরি ঘাট হয়ে নদীর ওই পার পর্যন্ত পৌঁছাতেই রাত আটটা বেজে গেল। রাতের এই নির্জন রাস্তায় এম্বুলেন্স বেশ গতিতে ছুটতে শুরু করল। এত সময় পর্যন্ত মামাদের সাথে তেমন কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু এই নির্জন রাস্তায়
Stay Connected
3,000FansLike
শহীদুল ইসলামspot_img
পাঠকপ্রিয় লেখা
Facebook Comments Box